Home
» economy
» যমুনা ফ্যানের ডিলার সম্মেলন-২০১৬ পণ্যের মানের সঙ্গে আপস করে না যমুনা গ্রুপ: চেয়ারম্যান নুরুল ইসলাম
Friday, October 14, 2016
যমুনা ফ্যানের ডিলার সম্মেলন-২০১৬ পণ্যের মানের সঙ্গে আপস করে না যমুনা গ্রুপ: চেয়ারম্যান নুরুল ইসলাম
Friday, October 14, 2016 by Unknown
যমুনা ফ্যানের ডিলার সম্মেলন-২০১৬
পণ্যের মানের সঙ্গে আপস করে না যমুনা গ্রুপ: চেয়ারম্যান নুরুল ইসলাম
ব্যবসা করতে বেশি পুঁজির প্রয়োজন হয় না। বড় পুঁজি হল সততা, কমিটমেন্ট ও
গ্রহণযোগ্যতা। কমিটমেন্ট রক্ষা করলে ব্যবসার জন্য ভবিষ্যতে নগদ টাকাও লাগে
না। তাই আপনারা কমিটমেন্ট রক্ষার চেষ্টা করবেন। আমি চাইব আপনারা আমার মতো
বুক ফুলিয়ে সমাজে ব্যবসা করেন।
শুক্রবার যমুনা ফ্যানের ডিলার সম্মেলন-২০১৬-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান
অতিথির বক্তৃতায় যমুনা গ্রুপের চেয়ারম্যান মো. নুরুল ইসলাম এসব কথা বলেন।
আনন্দঘন ও জাঁকজমকপূর্ণ পরিবেশে যমুনা ফিউচার পার্কের জারা নেহা কনভেনশন সেন্টারে অনুষ্ঠিত এ ডিলার সম্মেলনে দেশের নানা প্রান্ত থেকে সম্মানিত ডিলাররা সমবেত হন।
নুরুল ইসলাম আরও বলেন, যমুনা গ্রুপ পণ্যের মানের সঙ্গে কখনও আপস করে না। তাই এ গ্রুপের প্রতিটি পণ্যের মতো যমুনা ফ্যানও দেশসেরা।
তিনি বলেন, পণ্যের গ্যারান্টি আমি দিচ্ছি। আপনারা গ্যারান্টি সহকারে নির্ভয়ে যমুনা ফ্যান বিক্রি করতে পারবেন।
যমুনা গ্রুপ চেয়ারম্যান বলেন, গ্রামের দরিদ্র মানুষের হাতেও যমুনা ফ্যান পৌঁছে যাক। গরমে যেন কেউ কষ্ট না পায় সেজন্য আমরা আমাদের প্রফিট রাখছি না। আমরা ১৬ কোটি মানুষের মুখে হাসি দেখতে চাই। সবাই মিলে পরিশ্রম করে সে লক্ষ্যেই কাজ করে যাচ্ছি। মানুষের আস্থাই আমাদের বড় পুঁজি। সেই ১৯৭৮ সাল থেকে যমুনা জনগণের ভালোবাসা ও আস্থা নিয়েই সগৌরবে সামনে এগিয়ে যাচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, যমুনা গ্রুপ চায় আপনারা আমার সঙ্গে থেকে আরও লাভবান হোন, পুঁজি বাড়ান, সেভাবে বিনিয়োগ করুন। আর এভাবে ছোট ব্যবসায়ী থেকে বড় ব্যবসায়ী হয়ে যান। পরিবার-পরিজন নিয়ে ভালো থাকেন। আমরা আপনাদের পাশে আছি। কেননা যমুনা গ্রুপও আপনাদের পরিবার।
যমুনা গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক শামীম ইসলাম তার বক্তৃতায় বলেন, যমুনা ফ্যান দিয়েই যেহেতু যমুনা গ্রুপ এত বড় হয়েছে তাই আমরা যমুনা ফ্যানকে ভুলতে পারিনি। এজন্যই যমুনা ফ্যান নতুন করে বাজারে এনেছি। আপনারা সবাই সহযোগিতা করবেন।
ডিলার সম্মেলনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন যমুনা গ্রুপের ভাইস চেয়ারম্যান এবং দৈনিক যুগান্তরের প্রকাশক ও সাবেক প্রতিমন্ত্রী অ্যাডভোকেট সালমা ইসলাম এমপি, যমুনা গ্রুপের পরিচালক এসএম আবদুল ওয়াদুদ, পরিচালক মনিকা ইসলাম, পরিচালক মো. জাকির হোসেন, পরিচালক রোজালিন ইসলাম ও ব্যবস্থাপনা পরিচালকের সহধর্মিণী তানিয়া মেহনাজ ইসলাম।
ডিলারদের মধ্যে মো. তসলিম আহমেদ, গহওর জামিল, হাজী সোহেল খানসহ কয়েকজন বক্তব্য দেন। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন গ্রুপের পরিচালক (সিআরডি) ড. মোহাম্মদ আলমগীর আলম।
ডিলাররা যা বললেন
মানিকগঞ্জ থেকে আসা ডিলার মো. তসলিম আহমেদ বলেন, সবাই পুরনো ঐতিহ্যকে লালন করতে চায়। তেমনি যমুনা ফ্যান ঐতিহ্যের সঙ্গে মিল রেখে আধুনিক প্রযুক্তি ও বাস্তবতার সঙ্গে সমন্বয় করেছে। আমার বাবা যমুনা ফ্যান ব্যবহার করতেন। তাই বাবার স্মৃতি ধরে রাখতে আমি নিজেও যমুনা ফ্যান ব্যবহার করছি। যমুনা ফ্যান দেশের সব ফ্যানের চেয়ে সেরা। এটি যে কেউ ব্যবহার করেই বুঝতে পারবেন। তাছাড়া এর রেগুলেটর কখনও কেটে যায় না। গরমও হয় না।
কুষ্টিয়া থেকে আগত ডিলার গওহর জামিল বলেন, সুপার কোয়ালিটির পণ্য আমরা পেয়েছি। এ ফ্যান যে গবেষণামূলক তা পণ্যের মানেই প্রতিফলন ঘটেছে।
তিনি বলেন, ফ্যান নিয়ে একমাত্র গবেষণা করে যমুনা গ্রুপ। শুধু বাংলাদেশই নয়, এ উপমহাদেশের সর্বশ্রেষ্ঠ ফ্যান হচ্ছে যমুনা ফ্যান।
কুমিল্লা থেকে আসা ডিলার হাজী সোহেল খান বলেন, যমুনা নামের মধ্যেই রয়েছে ব্যাপক আস্থা। তাই যমুনা ফ্যান বিক্রি করতে তাদের কোনো সমস্যা হয় না।
সম্মেলনে আসা বেশ কয়েকজন ডিলার তাদের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে যুগান্তরকে বলেন, আমরা নিজেরা যমুনা ফ্যান ব্যবহার করি। তাই যমুনা ফ্যান যে সবচেয়ে সেরা তার অন্যতম সাক্ষী আমরা। এজন্য ক্রেতার কাছে নির্বিগ্নে এ ফ্যান বিক্রি করতে পারি।
তারা বলেন, যমুনা ফ্যানের কয়েল অন্য ফ্যানের তুলনায় অনেক ভালো। এ ফ্যানের বডি দেখতে মসৃণ ও সুন্দর। আর বেশ কয়েকটি মডেল ও রঙের তো কোনো তুলনায় হয় না।
এ সময় একজন ডিলার বলেন, যমুনা ফ্যানের সবচেয়ে বড় অর্জন হল- দু'দফায় বুয়েটের পরীক্ষায় 'এ' ক্যাটাগরির স্বীকৃতি লাভ। এরই মধ্যে গণপূর্ত অধিদফতরের চাহিদা তালিকায় যমুনা রয়েছে একমাত্র শীর্ষে।
অপর একজন ডিলার বলেন, যমুনা বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী হিসেবে বিশেষ স্থান দখল করে নিয়েছে। কেননা বাজারে ৯০ থেকে ১২০ ওয়াটের ফ্যান রয়েছে। এখন পর্যন্ত কেউ ৯০-এর নিচে নামতে পারেনি। কিন্তু যমুনা ৬৩ দশমিক ০৫ ওয়াটের ফ্যান তৈরি করে সবাইকে তাক লাগিয়ে দিয়েছে। এর ফলে এ ফ্যান সবচেয়ে বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী।
তিনি জানান, নিজের অভিজ্ঞতা ছাড়াও এখন পর্যন্ত তিনি যত ফ্যান বিক্রি করেছেন কেউ একটি অভিযোগ নিয়ে আসেননি। বরং অনেকে বলেছেন, যমুনা ফ্যান শুধু বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী নয়, বাতাসও খুব বেশি এবং শীতল।
একাধিক ডিলার বলেন, বাংলাদেশের জন্মলগ্ন থেকে শিল্প অবকাঠামোগত বির্নিমাণে যেসব শিল্প পরিবার দেশমাতৃকার উন্নয়নে এগিয়ে এসেছিল যমুনা গ্রুপ তার মধ্যে অন্যতম। যমুনা গ্রপের অর্ধশতাধিক শিল্পোদ্যোগের মধ্যে যমুনা ফ্যান সব থেকে পুরনো এবং জনপ্রিয়। যমুনা গ্রুপের প্রথম উদ্যোগ যমুনা ফ্যান গুণে ও মানে মানুষের মন জয় করতে সক্ষম হয়েছে অনায়াসেই। তাই আমরা এ গ্রুপের সঙ্গে যুক্ত হতে পেরে নিজেদের গর্বিত ও ধন্য মনে করছি।
এছাড়া দিনভর গ্রুপের চেয়ারম্যানের সঙ্গে খোলামেলা আলাপ করতে পেরে খুব খুশি। তিনি প্রত্যেককে সময় দিয়েছেন।
যে কারণে যমুনা ফ্যান সেরা
জানা গেছে, উন্নয়নের ধারাবাহিকতায় বাংলাদেশে এই প্রথমবারের মতো সম্পূর্ণ অটোমেটিক মেশিনে হাতের স্পর্শ ছাড়াই অত্যাধুনিক ফ্যান তৈরি করে উন্নত বিশ্বের সমকক্ষতা অর্জন করল যমুনা গ্রুপ। বার্ষিক সর্বোচ্চ উৎপাদনক্ষমতার যমুনা ফ্যান ফ্যাক্টরি বাংলাদেশে ফ্যান উত্পাদনে একটি বৃহৎ স্থাপনা।
কয়েকটি অত্যাধুনিক স্বয়ংক্রিয় প্রক্রিয়ায় তৈরি হচ্ছে একেকটি বিশ্বমানের যমুনা ফ্যান। এগুলো হচ্ছে ফ্যানের মোটরের স্ট্যাটর ও রোটর উত্পাদন প্রক্রিয়া, ফ্যানের টপ কভার ও বটম ওয়্যার উত্পাদন প্রক্রিয়া, স্বয়ংক্রিয় পাউডার কালার কোটিং প্রক্রিয়া, সুপার অ্যানামেলড কপার ওয়্যার উত্পাদন প্রক্রিয়া, শতভাগ বিশুদ্ধ কপার থেকে তৈরি সুপার অ্যানামেলড কপার ওয়্যার, যার বিদ্যুৎ পরিবাহী ক্ষমতাও শতভাগ। রয়েছে স্ট্যাটর উইনডিং ও মোটর উইনডিং লাইন এবং সব শেষে রয়েছে ফ্যানের অ্যাসেম্বলিং লাইন।
আধুনিক প্রযুক্তির দীক্ষায় প্রশিক্ষিত একদল দক্ষ ইলেকট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারের সুনিপুণ তত্ত্বাবধানে এভাবেই তৈরি হচ্ছে দেশের সেরা যমুনা ফ্যান।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে আরও জানা যায়, বাংলাদেশের সর্বপ্রথম যমুনা ফ্যান নিয়ে এসেছে মোটর সেলফ কুলিং সিস্টেম। যার ফলে বিয়ারিং ও মোটরের দীর্ঘ স্থায়িত্ব হয় সাধারণ ফ্যানের তুলনায় অনেক বেশি। শতভাগ সিলিকন সিট ও পিওর সুপার অ্যানামেলড কপার ওয়্যার দিয়ে তৈরি।
এ ছাড়া অ্যারো ডায়নামিক ডিজাইন ও অ্যালোমিনিয়াম ব্লেড হওয়ায় ঠাণ্ডা হাওয়া ছড়ায় দ্রুত। এ ফ্যানে রয়েছে ১ বছরের রিপ্লেসমেন্ট ওয়ারেন্টি ও ১২ বছরের নিশ্চিত গ্যারান্টি। ভিন্ন ভিন্ন মডেল ও রঙের ফ্যান তৈরি করা হয়েছে মানুষের রুচি বিবেচনায় নিয়ে।
এদিকে অনুষ্ঠানের দ্বিতীয় পর্বে অনুষ্ঠিত হয় মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। এতে সঙ্গীত পরিবেশন করেন দেশবরেণ্য শিল্পী ফকির আলমগীর ও আঁখি আলমগীর।
ডিলারদের মধ্য থেকেও সঙ্গীত পরিবেশন করা হয়। দিনব্যাপী আনন্দঘন জমজমাট ডিলার সম্মেলন শেষে চোখে-মুখে তৃপ্তির হাসি ও সুখ স্মৃতি নিয়ে ঘরে ফেরেন ডিলাররা।
Tags:
economy
আনন্দঘন ও জাঁকজমকপূর্ণ পরিবেশে যমুনা ফিউচার পার্কের জারা নেহা কনভেনশন সেন্টারে অনুষ্ঠিত এ ডিলার সম্মেলনে দেশের নানা প্রান্ত থেকে সম্মানিত ডিলাররা সমবেত হন।
নুরুল ইসলাম আরও বলেন, যমুনা গ্রুপ পণ্যের মানের সঙ্গে কখনও আপস করে না। তাই এ গ্রুপের প্রতিটি পণ্যের মতো যমুনা ফ্যানও দেশসেরা।
তিনি বলেন, পণ্যের গ্যারান্টি আমি দিচ্ছি। আপনারা গ্যারান্টি সহকারে নির্ভয়ে যমুনা ফ্যান বিক্রি করতে পারবেন।
যমুনা গ্রুপ চেয়ারম্যান বলেন, গ্রামের দরিদ্র মানুষের হাতেও যমুনা ফ্যান পৌঁছে যাক। গরমে যেন কেউ কষ্ট না পায় সেজন্য আমরা আমাদের প্রফিট রাখছি না। আমরা ১৬ কোটি মানুষের মুখে হাসি দেখতে চাই। সবাই মিলে পরিশ্রম করে সে লক্ষ্যেই কাজ করে যাচ্ছি। মানুষের আস্থাই আমাদের বড় পুঁজি। সেই ১৯৭৮ সাল থেকে যমুনা জনগণের ভালোবাসা ও আস্থা নিয়েই সগৌরবে সামনে এগিয়ে যাচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, যমুনা গ্রুপ চায় আপনারা আমার সঙ্গে থেকে আরও লাভবান হোন, পুঁজি বাড়ান, সেভাবে বিনিয়োগ করুন। আর এভাবে ছোট ব্যবসায়ী থেকে বড় ব্যবসায়ী হয়ে যান। পরিবার-পরিজন নিয়ে ভালো থাকেন। আমরা আপনাদের পাশে আছি। কেননা যমুনা গ্রুপও আপনাদের পরিবার।
যমুনা গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক শামীম ইসলাম তার বক্তৃতায় বলেন, যমুনা ফ্যান দিয়েই যেহেতু যমুনা গ্রুপ এত বড় হয়েছে তাই আমরা যমুনা ফ্যানকে ভুলতে পারিনি। এজন্যই যমুনা ফ্যান নতুন করে বাজারে এনেছি। আপনারা সবাই সহযোগিতা করবেন।
ডিলার সম্মেলনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন যমুনা গ্রুপের ভাইস চেয়ারম্যান এবং দৈনিক যুগান্তরের প্রকাশক ও সাবেক প্রতিমন্ত্রী অ্যাডভোকেট সালমা ইসলাম এমপি, যমুনা গ্রুপের পরিচালক এসএম আবদুল ওয়াদুদ, পরিচালক মনিকা ইসলাম, পরিচালক মো. জাকির হোসেন, পরিচালক রোজালিন ইসলাম ও ব্যবস্থাপনা পরিচালকের সহধর্মিণী তানিয়া মেহনাজ ইসলাম।
ডিলারদের মধ্যে মো. তসলিম আহমেদ, গহওর জামিল, হাজী সোহেল খানসহ কয়েকজন বক্তব্য দেন। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন গ্রুপের পরিচালক (সিআরডি) ড. মোহাম্মদ আলমগীর আলম।
ডিলাররা যা বললেন
মানিকগঞ্জ থেকে আসা ডিলার মো. তসলিম আহমেদ বলেন, সবাই পুরনো ঐতিহ্যকে লালন করতে চায়। তেমনি যমুনা ফ্যান ঐতিহ্যের সঙ্গে মিল রেখে আধুনিক প্রযুক্তি ও বাস্তবতার সঙ্গে সমন্বয় করেছে। আমার বাবা যমুনা ফ্যান ব্যবহার করতেন। তাই বাবার স্মৃতি ধরে রাখতে আমি নিজেও যমুনা ফ্যান ব্যবহার করছি। যমুনা ফ্যান দেশের সব ফ্যানের চেয়ে সেরা। এটি যে কেউ ব্যবহার করেই বুঝতে পারবেন। তাছাড়া এর রেগুলেটর কখনও কেটে যায় না। গরমও হয় না।
কুষ্টিয়া থেকে আগত ডিলার গওহর জামিল বলেন, সুপার কোয়ালিটির পণ্য আমরা পেয়েছি। এ ফ্যান যে গবেষণামূলক তা পণ্যের মানেই প্রতিফলন ঘটেছে।
তিনি বলেন, ফ্যান নিয়ে একমাত্র গবেষণা করে যমুনা গ্রুপ। শুধু বাংলাদেশই নয়, এ উপমহাদেশের সর্বশ্রেষ্ঠ ফ্যান হচ্ছে যমুনা ফ্যান।
কুমিল্লা থেকে আসা ডিলার হাজী সোহেল খান বলেন, যমুনা নামের মধ্যেই রয়েছে ব্যাপক আস্থা। তাই যমুনা ফ্যান বিক্রি করতে তাদের কোনো সমস্যা হয় না।
সম্মেলনে আসা বেশ কয়েকজন ডিলার তাদের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে যুগান্তরকে বলেন, আমরা নিজেরা যমুনা ফ্যান ব্যবহার করি। তাই যমুনা ফ্যান যে সবচেয়ে সেরা তার অন্যতম সাক্ষী আমরা। এজন্য ক্রেতার কাছে নির্বিগ্নে এ ফ্যান বিক্রি করতে পারি।
তারা বলেন, যমুনা ফ্যানের কয়েল অন্য ফ্যানের তুলনায় অনেক ভালো। এ ফ্যানের বডি দেখতে মসৃণ ও সুন্দর। আর বেশ কয়েকটি মডেল ও রঙের তো কোনো তুলনায় হয় না।
এ সময় একজন ডিলার বলেন, যমুনা ফ্যানের সবচেয়ে বড় অর্জন হল- দু'দফায় বুয়েটের পরীক্ষায় 'এ' ক্যাটাগরির স্বীকৃতি লাভ। এরই মধ্যে গণপূর্ত অধিদফতরের চাহিদা তালিকায় যমুনা রয়েছে একমাত্র শীর্ষে।
অপর একজন ডিলার বলেন, যমুনা বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী হিসেবে বিশেষ স্থান দখল করে নিয়েছে। কেননা বাজারে ৯০ থেকে ১২০ ওয়াটের ফ্যান রয়েছে। এখন পর্যন্ত কেউ ৯০-এর নিচে নামতে পারেনি। কিন্তু যমুনা ৬৩ দশমিক ০৫ ওয়াটের ফ্যান তৈরি করে সবাইকে তাক লাগিয়ে দিয়েছে। এর ফলে এ ফ্যান সবচেয়ে বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী।
তিনি জানান, নিজের অভিজ্ঞতা ছাড়াও এখন পর্যন্ত তিনি যত ফ্যান বিক্রি করেছেন কেউ একটি অভিযোগ নিয়ে আসেননি। বরং অনেকে বলেছেন, যমুনা ফ্যান শুধু বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী নয়, বাতাসও খুব বেশি এবং শীতল।
একাধিক ডিলার বলেন, বাংলাদেশের জন্মলগ্ন থেকে শিল্প অবকাঠামোগত বির্নিমাণে যেসব শিল্প পরিবার দেশমাতৃকার উন্নয়নে এগিয়ে এসেছিল যমুনা গ্রুপ তার মধ্যে অন্যতম। যমুনা গ্রপের অর্ধশতাধিক শিল্পোদ্যোগের মধ্যে যমুনা ফ্যান সব থেকে পুরনো এবং জনপ্রিয়। যমুনা গ্রুপের প্রথম উদ্যোগ যমুনা ফ্যান গুণে ও মানে মানুষের মন জয় করতে সক্ষম হয়েছে অনায়াসেই। তাই আমরা এ গ্রুপের সঙ্গে যুক্ত হতে পেরে নিজেদের গর্বিত ও ধন্য মনে করছি।
এছাড়া দিনভর গ্রুপের চেয়ারম্যানের সঙ্গে খোলামেলা আলাপ করতে পেরে খুব খুশি। তিনি প্রত্যেককে সময় দিয়েছেন।
যে কারণে যমুনা ফ্যান সেরা
জানা গেছে, উন্নয়নের ধারাবাহিকতায় বাংলাদেশে এই প্রথমবারের মতো সম্পূর্ণ অটোমেটিক মেশিনে হাতের স্পর্শ ছাড়াই অত্যাধুনিক ফ্যান তৈরি করে উন্নত বিশ্বের সমকক্ষতা অর্জন করল যমুনা গ্রুপ। বার্ষিক সর্বোচ্চ উৎপাদনক্ষমতার যমুনা ফ্যান ফ্যাক্টরি বাংলাদেশে ফ্যান উত্পাদনে একটি বৃহৎ স্থাপনা।
কয়েকটি অত্যাধুনিক স্বয়ংক্রিয় প্রক্রিয়ায় তৈরি হচ্ছে একেকটি বিশ্বমানের যমুনা ফ্যান। এগুলো হচ্ছে ফ্যানের মোটরের স্ট্যাটর ও রোটর উত্পাদন প্রক্রিয়া, ফ্যানের টপ কভার ও বটম ওয়্যার উত্পাদন প্রক্রিয়া, স্বয়ংক্রিয় পাউডার কালার কোটিং প্রক্রিয়া, সুপার অ্যানামেলড কপার ওয়্যার উত্পাদন প্রক্রিয়া, শতভাগ বিশুদ্ধ কপার থেকে তৈরি সুপার অ্যানামেলড কপার ওয়্যার, যার বিদ্যুৎ পরিবাহী ক্ষমতাও শতভাগ। রয়েছে স্ট্যাটর উইনডিং ও মোটর উইনডিং লাইন এবং সব শেষে রয়েছে ফ্যানের অ্যাসেম্বলিং লাইন।
আধুনিক প্রযুক্তির দীক্ষায় প্রশিক্ষিত একদল দক্ষ ইলেকট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারের সুনিপুণ তত্ত্বাবধানে এভাবেই তৈরি হচ্ছে দেশের সেরা যমুনা ফ্যান।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে আরও জানা যায়, বাংলাদেশের সর্বপ্রথম যমুনা ফ্যান নিয়ে এসেছে মোটর সেলফ কুলিং সিস্টেম। যার ফলে বিয়ারিং ও মোটরের দীর্ঘ স্থায়িত্ব হয় সাধারণ ফ্যানের তুলনায় অনেক বেশি। শতভাগ সিলিকন সিট ও পিওর সুপার অ্যানামেলড কপার ওয়্যার দিয়ে তৈরি।
এ ছাড়া অ্যারো ডায়নামিক ডিজাইন ও অ্যালোমিনিয়াম ব্লেড হওয়ায় ঠাণ্ডা হাওয়া ছড়ায় দ্রুত। এ ফ্যানে রয়েছে ১ বছরের রিপ্লেসমেন্ট ওয়ারেন্টি ও ১২ বছরের নিশ্চিত গ্যারান্টি। ভিন্ন ভিন্ন মডেল ও রঙের ফ্যান তৈরি করা হয়েছে মানুষের রুচি বিবেচনায় নিয়ে।
এদিকে অনুষ্ঠানের দ্বিতীয় পর্বে অনুষ্ঠিত হয় মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। এতে সঙ্গীত পরিবেশন করেন দেশবরেণ্য শিল্পী ফকির আলমগীর ও আঁখি আলমগীর।
ডিলারদের মধ্য থেকেও সঙ্গীত পরিবেশন করা হয়। দিনব্যাপী আনন্দঘন জমজমাট ডিলার সম্মেলন শেষে চোখে-মুখে তৃপ্তির হাসি ও সুখ স্মৃতি নিয়ে ঘরে ফেরেন ডিলাররা।
Subscribe to:
Post Comments (Atom)

0 Responses to “ যমুনা ফ্যানের ডিলার সম্মেলন-২০১৬ পণ্যের মানের সঙ্গে আপস করে না যমুনা গ্রুপ: চেয়ারম্যান নুরুল ইসলাম”
Post a Comment